ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : একরাম হোসেন রাজধানী শান্তিনগরে অবস্থিত হাবীবুল্লাহ্ বাহার কলেজ ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পিঠাকে পুনরায় ছোঁয়া দিতে গত মঙ্গলবার(২৭ জানুয়ারি) রাজধানী শান্তিনগরে অবস্থিত হাবীবুল্লাহ্ বাহার কলেজ ইউনিভার্সিটিতে প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত উৎসবে।
উৎসবটি ঘিরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অতিথিদের অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসজুড়ে সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশ। পিঠা উৎসবে উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ বলেন, এই ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বাড়ায় এবং সাংস্কৃতিক চর্চাকে উৎসাহিত করে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা। পিঠা উৎসবে হরেক রকমের ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, কলা পিঠা, খেজুরের রসের পিঠা, ক্ষীর কুলি, পাটিসাপটা, নকশি পিঠা, ডিম পিঠা, খেজুরের রস পিঠা,দুধরাজসহ আরও , বিভিন্ন পিঠা প্রদর্শন করা হয়। উৎসবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা পিঠার পরিচিতি জানাতে স্টলে লিখিত তথ্যও প্রদর্শন করেন। এদিকে, হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ এন্ড ইউনিভার্সিটির প্রাঙ্গণটি পুরো দিন মিলনমেলায় পরিণত হয়, যেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। কলেজের শিক্ষার্থী রিজিয়া সুলতানা বলেন“প্রতিবছরই আমাদের শিক্ষা হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ এন্ড ইউনিভার্সিটিতে পিঠা উৎসব হয়। এ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে মায়ের কাছ থেকে বিভিন্ন পিঠা বানানোর অভিজ্ঞতা অর্জন করি। আজ আমরা বান্ধবীরা ও সহপাঠীরা মিলে অনেক রকম পিঠার আয়োজন করেছি। যেহেতু শীতকালে বিভিন্ন পিঠা তৈরী করা আমাদের বাঙালির ঐতিহ্য। আরো বলেন ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
উৎসবকে ঘিরে ছিল কুইজ, ধাঁধা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন, যা দর্শনার্থীদের বাড়তি আনন্দ দেয়। তাই আমাদের হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ এন্ড ইউনিভার্সিটিতে মত সবারই উচিৎ এ ধরণের আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখা। শিক্ষা হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ এন্ড ইউনিভার্সিটি অধ্যক্ষ কর্নেল ইমরুল কায়েস (অব.) বলেন, “পিঠাপুলি হলো আমাদের লোকজ ও নান্দনিক সংস্কৃতিরই প্রকাশ। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে স্মরণ করতেই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মিলে এ উৎসবের আয়োজন করেছেন। আমাদের হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ এন্ড ইউনিভার্সিটিতে প্রতি বছর এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়ে থাকে।অধ্যক্ষ কর্নেল ইমরুল কায়েস (অব.) সত্যিই বেশ ভালো লাগছে।” পরিদর্শন শেষে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতেই এরকম পিঠা উৎসব প্রশংসার দাবিদার। শিক্ষার পাশাপাশি এরকম ব্যতিক্রমী আয়োজন প্রয়োজন রয়েছে। এ ধরণের উৎসব মেধা বিকাশে ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে উৎসাহিত করবে।” পাণশাপাশি শিক্ষার্থীদের এমন সুন্দর উদ্যোগকে প্রশংসা করেন তিনি।
মন্তব্য করুন