উসকানিতে পুলিশ শিক্ষকদের ওপর চড়াও হয়ে লাঠিপেটা শুরু
করে বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমাবেশ ও পদযাত্রায় পুলিশের অযৌক্তিক বলপ্রয়োগ, জলকামান থেকে গরম পানি নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। রবিবার (৯ নভেম্বর) আসকের
সিনিয়র সমন্বয়কারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। আসক জানায়, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৮ নভেম্বর ঢাকার শাহবাগে তিন দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রায় অংশ নেওয়া শিক্ষকদের ওপর পুলিশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাসের শেল, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ এবং জলকামান থেকে পানি ছিটিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এতে কমপক্ষে দেড় শতাধিক শিক্ষক আহত হন। সংগঠনটি বলেছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক নাগরিকের শান্তিপূর্ণভাবে সভা-সমাবেশ করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু শাহবাগে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ মৌলিক অধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতার স্পষ্ট লঙ্ঘন। আসক আরও জানায়, সরকারের পক্ষ থেকে এখনও শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি নিয়ে কোনও গঠনমূলক পদক্ষেপ দেখা যায়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিবৃতিতে আসক বলেছে, শিক্ষক সমাজ জাতির ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনের মূলভিত্তি। তাদের ওপর হামলা শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়, বরং শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। সংগঠনটি আরও উল্লেখ করে, সম্প্রতি ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকদের প্রতিও একই ধরনের
আচরণ দেখা গেছে, যা উদ্বেগজনক। সরকারের কোনও নির্দেশনা ছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কীভাবে বারবার এমন কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে তা বোধগম্য নয়, বলেও মন্তব্য করে আসক।
মন্তব্য করুন