মোঃ আকরাম হোসেন
প্রকাশিত : ৩১, অক্টোবর,২০২৫, দুপুর ২:১০ পিএম
নাটোর প্রতিনিধি,
নাটোরের আমেনা হসপিটাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা, অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও দুর্নীতির দালাল কারণে রোগীদের ভোগান্তির প্রতীক হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে হাসপাতালে ছবি তুলতে গেলে বাদার সম্মুখীন হতে হয় এবং কি গায়ে হাত তুলে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বহির্বিভাগের রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা চিকিৎসকের অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে আছেন। হাসপাতালে স্টাফ রাও সিরিয়ালের অমান্য করে আসছে। তারা রোগীদেরকে সিরিয়াল নিয়ে ফোনের মাধ্যমে অন্য রোগীদেরকে ডাক্তার দেখিয়ে দিচ্ছে এবং কি রোগীদের কাছ থেকে জোরজবস্তি করে কিছু টাকা হাতে নিচ্ছে একদল চক্র। আমি ফোন করে সিরিয়েল দেই। তারা বলে আমার ৬৫ নাম্বারে আমেনা হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমার সিরিয়াল ৬৮ নাম্বারে । এবং কি যারা সিরিয়াল নেয় রোগীদের সিরিয়াল বাদ দিয়ে তাদের আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব পাড়া-প্রতিবেশী তাদেরকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় আগের সিরিয়ালে সিরিয়ালে। আমি প্রতিবাদ করতে গেলে আমার সাথে খারাপ আচরণ করে এমনকি আমাকে হুমকি ও দেয় বিভিন্ন গালি গ্লাস ব্যবহার এবং মার ধর হুমকি দেয়। এখানকার স্থানীয় রোগীরা আমার সাথে একমত হয় ।সূত্রে জানা যায়, আমেনা হাসপাতালে অনেক বছর ধরে এরকম হয়ে আসছে এ হাসপাতালটি কেউ কোন কথা বললে বা প্রতিবাদ করলে তাদেরকে অপমান করে বের করে দাও হয় এমন ঘটনা ঘটেছ। এবং কি মেডিসিন ও হাসপাতালে থেকে নিতে জোর করা হয় রোগীদেরকে। এবং মেডিসিনের দাম মোটা অংকে টাকা নেওয়া হয় এবং কি ডাক্তারকে রিপোর্ট দেখাতে হলে টাকা দিতে হয় ২০০ টাকা করে সাগর আলী বলে এ হাসপাতালে এসে আমার নাজেহাল অবস্থা হয়ে আসছে সকাল দশটা দিকে এসে বসে আছি এখনো ডাক্তার দেখাতে পারি নাই সন্ধ্যা সাতটা বেজে আমি এখনো ডাক্তার দেখাতে পারি নাই কিছু দালাল এবং স্টাফ দের অনিয়ম এর কারণে আমার সিরিয়াল ৫০ নাম্বার দেখলাম ৪৮ নম্বর ডাকতাছে হঠাৎ করে শুনি আবার ৩০ নম্বরে ডাকতাছে তারা এত লম্বা সময় কিভাবে ৩০ নাম্বার হয়ে গেলো
তাদের ৩০ নাম্বার আর শেষ হয় না যতবার জিজ্ঞেস করি ততবারই বলে ৩০ নম্বর চলতেছে কিন্তু সামনে যেয়ে দেখি অন্য এক কাহিনী যারা পরিচিত তাদেরকে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে লাইনে আর যারা সিরিয়ালে আছে তারা না খেয়ে বসে আছে ঘন্টার পর ঘন্টা। আমি জিজ্ঞাসা করলে বলে ৩০ নম্বর আমার একটা প্রশ্ন এই কারণে তরুণরা এদের কি হলো লড়াই করে আসছে? সে আরো বলে আগে করছে আওয়ামী লীগ এখন করে বিএনপি। আমি মোহাম্মদ আকরাম হোসেন হাসপাতালটা ঘুরে দেখতেছি এ সময়ের মধ্যে গিয়ে দেখি ওয়ার্ডের বেহুল অবস্থা পুরুষ ঢুকানো হয়েছে আবার ওয়ার্ড এর পাশে ওয়াশরুমগুলোতে নোংরা আবর্জনা অবস্থায় আছে
অফিসারের পদ থাকলেও বর্তমানে চিকিৎসক সংকটে সেগুলো শূন্য।মন্তব্য করুন