
হায়দরগঞ্জ রোকেয়া হাসমতেন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ পিঠা উৎসব
স্টার প্রতিনিধি : একরাম হোসেন লক্ষীপুর জেলা রায়পুর উপজেলা হায়দ
রগঞ্জ বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পিঠাকে পুনরায় ছোঁয়া দিতে হায়দরগঞ্জ রোকেয়া হাসমতেন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) হায়দরগঞ্জ রোকেয়া হাসমতেন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা রায়পুর উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার মাইনুদ্দিন । বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বি.এস.সি ও বিশেষ অতিথি ছিলেন আব্দুল আজিজ লিটন হাওলাদার। পিঠা উৎসবে হরেক রকমের ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, কলা পিঠা, খেজুরের রসের পিঠা, ক্ষীর কুলি, পাটিসাপটা, নকশি পিঠা, ভালোবাসার পিঠা, নোয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী পিঠা খোলা পিঠা,দুধরাজসহ আরও ভ্যারাইটিজ, বিভিন্ন পিঠা প্রদর্শন করা হয়। উৎসবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা পিঠার পরিচিতি জানাতে স্টলে লিখিত তথ্যও প্রদর্শন করেন। এদিকে, হায়দরগঞ্জ রোকেয়া হাসমতেন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে প্রাঙ্গণটি পুরো দিন মিলনমেলায় পরিণত হয়, যেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অংশগ্রহণ করে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সিফা আক্তার,ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী নাইমা আক্তার বলেন“প্রতিবছরই আমাদের হায়দরগঞ্জ রোকেয়া হাসমতেন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পিঠা উৎসব হয়। এ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে মায়ের কাছ থেকে বিভিন্ন পিঠা বানানোর অভিজ্ঞতা অর্জন করি। আজ আমরা বান্ধবীরা মিলে হরেক রকম পিঠার আয়োজন করেছি। যেহেতু শীতকালে বিভিন্ন পিঠা তৈরী করা আমাদের বাঙালির ঐতিহ্য। তাই আমাদের হায়দরগঞ্জ রোকেয়া হাসমতেন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে মত সবারই উচিৎ এ ধরণের আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখা। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বি.এস.সি বলেন, “পিঠাপুলি হলো আমাদের লোকজ ও নান্দনিক সংস্কৃতিরই প্রকাশ। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে স্মরণ করতেই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মিলে এ উৎসবের আয়োজন করেছেন। আমাদের হায়দরগঞ্জ রোকেয়া হাসমতেন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে প্রতি বছর এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়ে থাকে। সত্যিই বেশ ভালো লাগছে।” ৯নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাওলাদার নুরে আলম জিকু উপস্থিত ছিলেন।লক্ষ্মীপুর জেলা রায়পুর উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার মাইনুদ্দিন বলেন, “আবহমান গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বর্তমান প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতেই এরকম পিঠা উৎসব প্রশংসার দাবিদার। শিক্ষার পাশাপাশি এরকম ব্যতিক্রমী আয়োজন প্রয়োজন রয়েছে। এ ধরণের উৎসব মেধা বিকাশে ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে উৎসাহিত করবে।” পাণশাপাশি শিক্ষার্থীদের এমন সুন্দর উদ্যোগকে প্রশংসা করেন তিনি।